মহা শিবরাত্রির দিন পূজা ও উপবাস কিভাবে করবেন , পূজার সময়সূচি ও বিস্তারিত

🌟📝 লিখেছেন জ্যোতিষ অনুরাগী আশীষ বিশ্বাস ( BSc in Astrology )

🔱 Maha Shivratri Upobash – মহা শিবরাত্রি ২০২৬ – সময়সূচি (IST)

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

📅 ১. Maha Shivratri – পূজা ও তিথি সময়

🕔 চতুর্দশী তিথি শুরু: ১৫ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যে ~5:04 PM , 🕠 চতুর্দশী তিথি শেষ: ১৬ ফেব্রুয়ারি, সন্ধ্যে ~5:34 PM 

👉 তিথির সময়ই উপবাস ও পূজা শুরু করার পাঞ্জিকা‑অনুসার দিন এবং রাত নির্ধারিত হয়। 

⏱ ২. Maha Shivratri – পূজা সময় (চতুর্দশীর রাত — ১৫ Feb → ১৬ Feb)

🔹 ১ম প্রহার (Evening Puja) 🕕 06:11 PM – 09:23 PM (15 Feb)

👉 শিবলিঙ্গে দুধ বা গঙ্গাজল দিয়ে স্নান/আরোপ করা শুরু করা হয়। 

🔹 ২য় প্রহার (Late Evening) , 🕘 09:23 PM – 12:35 AM (15 Feb → 16 Feb)

👉 এই সময় শিবের আরাধনা, মন্ত্র জপ ও ভজন শুরু করে ধীরে ধীরে গভীরতা আনা হয়। 

🔸 🌟 নিস্তিত্ব কাল – সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় , 🕛 12:09 AM – 01:01 AM (16 Feb)

👉 এই সময়কে নিশিতা কালে পুজা বলা হয় — শিবলিঙ্গ অনুভব ও গভীর মন্ত্র জপের সময়। এই মুহূর্তে পূজা করলে আধ্যাত্মিক ফল বেশি বলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে। 

🔹 ৩য় প্রহার (Midnight – Early Morning)

🕛 12:35 AM – 03:51 AM (16 Feb)

👉 জপ, রুদ্রাভিষেক বা ধূপ–দীপ শুরু রাখুন। 

🔹 ৪থ প্রহার (Early Morning – Sunrise) ,🕒 03:51 AM – 07:02 AM (16 Feb)

👉 ভোরের ধ্যান, শেষ মন্ত্র জপ ও শিবভক্তির শেষ পর্যায়। 

🍃 ৩. Maha Shivratri – উপবাস (Vrat) ও পারণ সময় , 🕖 উপবাস শুরুর সময়: ১৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা (চতুর্দশীর শুরু) থেকে

🌅 উপবাস পারণ (Break fast): ১৬ ফেব্রুয়ারি ~06:59 AM – 03:24 PM / বিকেল পর্যন্ত 

👉 সাধারণত সকাল পূজা শেষ করে, পুষ্প অর্পণ ও প্রার্থনা শেষে ভাজা/ফল/দুধ গ্রহণ করে উপবাস ভাঙা হয়। 

🔔 ৪. Maha shivratri Niyom in Bengali – Puja Sequence Quick Guide (মুহূর্ত হিসেবে)

সময় পুজো/অনুশীলন

05:04 PM চতুর্দশী তিথি শুরু

06:11 PM ১ম প্রহার পূজা শুরু

09:23 PM ২য় প্রহার শুরু

12:09 AM নিশিতা কালে পূজা (অত্যন্ত শুভ)

12:35 AM ৩য় প্রহার শুরু

03:51 AM ৪র্থ প্রহার শুরু

07:02 AM পূজা/ভোর ধ্যান শেষ

03:24 PM উপবাস পারণ শেষ

📌 টিপস

✨ নিশিতা কালে পুজা—বিশেষ করে 12:09 AM – 01:01 AM—এই সময় শিবচেতনা সবচেয়ে প্রবল বলে শাস্ত্রে বলা হয়েছে। 

✨ শেষ প্রহার পর্যন্ত জাগরণ করলে শরীর ও মন শান্ত থাকে, এবং মন্ত্র জপের শক্তি বৃদ্ধি পায়। 

🕉️ সারসংক্ষেপ:

📆 মহা শিবরাত্রি: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

🕔 চতুর্দশী শুরু: 05:04 PM

🌙 নিশিতা কালে শুভ সময়: 12:09 AM – 01:01 AM

☀️ উপবাস পারণ: ০৬:৫৯ AM – বিকেল পর্যন্ত

এই পোস্টে কিছু এফিলিয়েট লিংক থাকতে পারে, যা আপনার সুবিধার জন্য দেওয়া হয়েছে , অতিরিক্ত কোনো খরচ ছাড়াই আপনি কিছু কেনাকাটা করতে পারেন ,

Maha Shivratri Niyom : পূজা, উপবাস ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য

মহাদেব শিব—যিনি সৃষ্টির, রক্ষার এবং বিনাশের সর্বশক্তিমান, তিনলোকের ভক্তদের অন্তরে অনন্ত প্রশান্তি ও শক্তির উৎস। শিবরাত্রি কেবল এক রাতের উৎসব নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, ধ্যান এবং শিবভক্তির মাধ্যমে জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ার এক অসাধারণ সময়। ২০২৬ সালের মহা শিবরাত্রি ভক্তদের জন্য আধ্যাত্মিকভাবে বিশেষ। এই ব্লগে আমরা শিবরাত্রির পূজা, উপবাস, মন্ত্র, শুভ সময়, স্থানের সব কিছু বিস্তারিতভাবে আলোচনা করব।

🟡 Maha Shivratri – মহাদেবের নাম ও মহা শিবরাত্রির তাৎপর্য

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

মহাদেব শিব—ভক্তদের অন্তরে অনন্ত শান্তি ও শক্তির প্রতীক। শিবরাত্রি পালনের মাধ্যমে ভক্তরা তাঁর অসীম শক্তি, করুণা ও ধ্যানমগ্নতায় সংযোগ স্থাপন করে।

ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক কাহিনী:
শিবরাত্রি পালিত হয় শিব ও পার্বতীর মিলনের স্মরণে। পুরাণে বলা আছে, শিব যখন তপস্যার মধ্যে ছিলেন, সেই সময় পার্বতী তাঁর সাথে মিলিত হন। সেই রাতটিই মহাদেবের শক্তির অনন্ত প্রকাশ।

শিবলিঙ্গের প্রতীকী অর্থ:
শিবলিঙ্গ কেবল একটি প্রতিক নয়, এটি চেতনার, অন্তরের এবং মহাজ্ঞানকে বোঝায়। এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, জীবনের মূল লক্ষ্য হলো ধ্যান, আত্মজ্ঞান এবং মানসিক স্থিরতা।

ভক্তি ও আধ্যাত্মিক গুরুত্ব:
শিবরাত্রির রাত্রি ভক্তদের জন্য বিশেষ অনুপ্রেরণা এবং আত্মোন্নয়নের সময়। এই রাতটি জাগরণ, প্রার্থনা, এবং শিবমন্ত্র জপের মাধ্যমে ভক্তদের হৃদয়কে গভীর শান্তি ও শক্তি প্রদান করে।

আধ্যাত্মিক শিক্ষা:
মহাদেবের নাম স্মরণ করলে ও তাঁর গুণাবলী ধ্যান করলে, মানুষের মন অশান্তি থেকে মুক্তি পায়, ভয় ও দুঃখ কমে যায় এবং জীবনের প্রতিটি দিকেই সৎ দিশা তৈরি হয়।

🟡 Maha Shivratri – মহা শিবরাত্রির পূজা ও রীতিনীতি

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

মহাদেব শিবের আরাধনা এই রাতে ভক্তদের জীবনে আধ্যাত্মিক শক্তি ও শান্তির দরজা খুলে দেয়।

ঘরে বা মন্দিরে পূজা:

শিবলিঙ্গকে গঙ্গাজল, দুধ, মৌ, দুধ-মধু মিশ্রণ এবং পুষ্প দিয়ে স্নান করানো হয়।
পুজোর সময় ঘরের কোণে বা মন্দিরে ধ্যান এবং প্রার্থনা করা উচিত।
রাতে জাগরণ করা—“রাত্রি জাগরণ”—অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়ে শিবচেতনায় সংযোগ আরও গভীর হয়।

প্রার্থনা ও মন্ত্র জপ:

ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করলে মনের অশান্তি কমে যায় এবং ধ্যানের শক্তি বৃদ্ধি পায়।
প্রতিটি ১১, ১০৮ বা ১০৮০ বার জপ ভক্তদের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
রাতে প্রার্থনা ও জপের সময় ভক্তদের মনে মনোনিবেশ থাকা প্রয়োজন, শুধু উচ্চারণ যথেষ্ট নয়।

ভোগ ও উপহার:

শিবলিঙ্গে প্রিয় ফল, দুধ, ঘি ও ফুল অর্পণ করা হয়।
পূজা শেষে ভক্তরা প্রার্থনার ফল হিসেবে লবণ, ভোগ বা প্রসাদ গ্রহণ করতে পারেন।
এটি শিবের প্রতি ভক্তির প্রকাশ এবং মানসিক শান্তি ও আনন্দের জন্য অপরিহার্য।

রীতি ও নিয়ম:

ভোর থেকে রাত অবধি পূজা চলতে পারে, রাত জাগরণের মাধ্যমে ভক্তরা আধ্যাত্মিক শক্তি অনুভব করেন।
পূজা শেষে ঘরে বা মন্দিরে শিবলিঙ্গ ধ্যানের মাধ্যমে নিজেকে ধ্যানমগ্ন করা উচিত।

🟡 Maha Shivratri – মহা শিবরাত্রির উপবাস

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

মহাদেব শিবের প্রতি ভক্তির প্রকাশ হিসেবে উপবাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই রাত্রে উপবাস শুধু খাদ্য সংযম নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, ধ্যান এবং শিবচেতনার সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যম।

উপবাসের উদ্দেশ্য:

উপবাসের মাধ্যমে শরীর ও মনকে শুদ্ধ করা যায়।
এটি আধ্যাত্মিক মনকে শক্তিশালী করে এবং ধ্যানের সময় মনকে সংযমিত রাখে।
শিবভক্তরা বিশ্বাস করেন, উপবাস করলে শিবের কাছে প্রার্থনা দ্রুত গ্রহণ হয়।

উপবাসের ধরণ:

ফল-মূল ও জল খাওয়া যেতে পারে।
নিরামিষ উপবাসের ক্ষেত্রে শুধুই দুধ, ফল এবং জল গ্রহণ করা হয়।
কঠোর ভক্তরা দিনভর খাবার এড়িয়ে শুধুমাত্র জল বা ফলজাত খাবার গ্রহণ করেন।

উপবাসের নিয়মাবলী:

ভোর থেকে রাত পর্যন্ত নির্দিষ্ট খাবার এড়িয়ে চলা।
খাবার খাওয়ার আগে শিবলিঙ্গ বা শিব মূর্তির প্রতি প্রণাম।
উপবাসের সময় ধ্যান, শিবমন্ত্র জপ এবং প্রার্থনা নিয়মিত করা।

উপবাসের আধ্যাত্মিক লাভ:

মন শান্তি ও স্থির হয়।
জীবনে সংকট ও নেতিবাচক শক্তি কমে।
শিবের আশীর্বাদ প্রাপ্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তির বৃদ্ধি ঘটে।

🟡 Maha Shivratri – শিবের মন্ত্র ও জপ

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

মহাদেব শিবের মন্ত্র জপ ভক্তদের মনকে প্রশান্ত করে এবং আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করে। শিবরাত্রির রাতটি এই জপের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।

মহামন্ত্রের গুরুত্ব:

“ওম নমঃ শিবায়” হলো শিবের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং ফলপ্রসূ মন্ত্র।
প্রতিটি উচ্চারণ আমাদের চেতনাকে শুদ্ধ করে, নেগেটিভ শক্তি দূর করে এবং মানসিক স্থিরতা প্রদান করে।

জপের পদ্ধতি:

ভক্তরা ১১, ১০৮ বা ১০৮০ বার মন্ত্র জপ করতে পারেন।
নতুন ভক্তরা ছোট সংখ্যা দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়াতে পারেন।
জপের সময় দৃষ্টিভঙ্গি শুধু উচ্চারণে না, বরং মনে শিবচেতনার উপর মনোযোগ রাখা জরুরি।

মন্ত্র জপের সময় মনকে প্রশান্ত করতে এবং আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি করতে রুদ্রাক্ষ মালা ব্যবহার করুন ,

জপমালা ও ঘর ব্যবহার:

জপমালার সাহায্যে গণনা সহজ হয় এবং একাগ্রতা বজায় থাকে।
ঘরে শান্ত পরিবেশে বা মন্দিরে জপ করলে শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়।
রাতে শিবলিঙ্গ বা শিবমূর্তির সামনে জপ করলে আধ্যাত্মিক সংযোগ গভীর হয়।

জপের আধ্যাত্মিক প্রভাব:

মন শান্ত, মনোবল শক্তিশালী এবং আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়।
জীবনের নেগেটিভ শক্তি কমে এবং ইতিবাচক শক্তি প্রবাহিত হয়।
শিবের আশীর্বাদ প্রাপ্তির মাধ্যমে জীবনে বাধা ও সমস্যার সমাধান সহজ হয়।

🟡 Maha Shivratri – মহা শিবরাত্রির অর্থ ও বর

maha shivratri upobash

প্রতীকী ছবি : রাশিফল বাংলা

মহা শিবরাত্রি কেবল উৎসব নয়, এটি আত্মশুদ্ধি, ধ্যান এবং শিবভক্তির মাধ্যমে জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ার এক অসাধারণ সময়।

আধ্যাত্মিক অর্থ:

এই রাতটি শিবের প্রতি গভীর ভক্তি প্রকাশের এবং চেতনাকে শুদ্ধ করার সময়।
রাত জাগরণ, ধ্যান এবং মন্ত্র জপের মাধ্যমে ভক্তরা আত্মা ও চেতনার সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

ভক্তদের জন্য বর:

যারা এই রাতটি পূর্ণ ভক্তি ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন, তাদের জীবনে শান্তি, সমৃদ্ধি ও সৌভাগ্য বৃদ্ধি পায়।
ধ্যান ও প্রার্থনার মাধ্যমে জীবনের বাধা দূর হয় এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব:

উপবাস ও পূজার মাধ্যমে দেহ ও মন সুস্থ থাকে।
সমস্যার সমাধান সহজ হয় এবং কর্মজীবনে স্থিতিশীলতা আসে।
ভক্তদের ব্যক্তিগত সম্পর্কেও শান্তি ও মমতা বৃদ্ধি পায়।

আধ্যাত্মিক শিক্ষা:

শিবরাত্রি শেখায় যে ধ্যান, প্রার্থনা এবং ভক্তি একসঙ্গে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে শান্তি ও শক্তি প্রদান করে।

🟡 Maha Shivratri – মহা শিবরাত্রির শুভ সময় ও স্থান

মহা শিবরাত্রি পূজা শুধু রাতে হয় না, বরং নির্দিষ্ট সময় ও স্থান অনুসারে ভক্তদের জন্য আধ্যাত্মিক শক্তি আরও বৃদ্ধি পায়।

শুভ সময় (মুহূর্ত):

পূজার জন্য রাতের মধ্যরাত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ভোর পর্যন্ত জাগরণ করা এবং মন্ত্র জপ করা বিশেষ ফলপ্রসূ।
শিবলিঙ্গের স্নান ও উপাসনা এই সময়ে করলে ভক্তির শক্তি দ্বিগুণ হয়।

পুজোর স্থান:

ঘরে শিবলিঙ্গ বা শিবমূর্তি থাকলে সেই স্থানই পূজার জন্য উপযুক্ত।
মন্দিরে গিয়ে শিবলিঙ্গের সামনে পূজা ও জপ করলে আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।
স্থান যত শান্ত এবং ধ্যানমগ্ন, পূজার ফল তত বেশি লাভজনক।

শিবলিঙ্গ বা শিবমূর্তির সাজানো:

ফুল, ফল, দুধ-মধু ও গঙ্গাজল দিয়ে শিবলিঙ্গের স্নান করা।
প্রদীপ জ্বালানো এবং ধূপের ব্যবহার করলে ঘরের আধ্যাত্মিক শক্তি বৃদ্ধি পায়।

আধ্যাত্মিক লক্ষ্য:

এই সময় এবং স্থানে পূজা করলে মন শান্ত হয়, নেগেটিভ শক্তি কমে যায় এবং শিবচেতনার সঙ্গে সংযোগ দৃঢ় হয়।

💡 শেষ কথা:
মহা শিবরাত্রি কেবল উৎসব নয়, এটি জীবনের গভীর শিক্ষা ও আধ্যাত্মিক শক্তির উৎস। পূজা, উপবাস, জপ এবং ধ্যানের মাধ্যমে আমরা মহাদেব শিবের করুণা, শক্তি ও আশীর্বাদ পেতে পারি। ২০২৬ সালের এই শিবরাত্রিতে আপনি এই পূর্ণাঙ্গ দিকগুলো অনুসরণ করলে, আত্মার শান্তি ও জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনার সুযোগ পাবেন।


” আজকের প্রতিবেদন আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হলে আপনার বন্ধুদের শেয়ার করুন “

” আমাদের প্রতিবেদনের সকল আপডেট পেতে আমাদের সাবস্ক্রাইব করে নোটিফিকেশন অন করুন “

আমাদের প্রতিবেদনের রাশিফল সংক্রান্ত সকল তথ্য এবং অন্যান্য প্রতিবেদনের জন্য
আমাদের সোশ্যাল পেজগুলো ফলো করে সঙ্গে থাকুন

আপনার যদি রাশিফল সংক্রান্ত বা ব্যক্তিগত পরামর্শের প্রয়োজন হয়,
তাহলে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।

💬 WhatsApp এ মেসেজ করুন

Leave a comment